পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৩rd August ২০১৬

সচিব মহোদয়ের জীবন বৃত্তান্ত

জন্ম ১লা মার্চ, ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে, পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায়। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৯৮২ ব্যাচ (নিয়মিত) এর একজন কর্মকর্তা। ঢাকা কলেজে অধ্যয়নকালীন তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন । তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  হ’তে ইংরেজী সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

 

তিনি মিরপুর ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ হতে ২০০৫ সালে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ২০০৪ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের তত্ত্বাবধানে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কোর্সে এবং ২০০৬ সালে সুইডিশ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, স্টকহোমে আরেকটি উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি ২০০৯ সালে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে UN DPKO এর সাথে সমঝোতা স্মারক চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নেতৃত্বাধীন “অপারেশন আপহোল্ড ডেমোক্রেসী ইন হাইতি’র ডেপুটি কন্টিনজেন্ট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য যে, এটি ছিল পশ্চিম গোলার্ধে জাতিসংঘের কোন মিশনে বাংলাদেশের প্রথম অংশগ্রহণ। তিনি  মিশনে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘কমান্ডারস এওয়ার্ড ফর পাবলিক সার্ভিস’ পদক প্রাপ্ত হন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের ‘ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন হাইতি’ (UNMIH) এ দায়িত্ব পালন করেন জাতিসংঘ পদকে (UN Medal) ভূষিত হন।

 

দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন এর সভাপতি হিসেবে দুইবার নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ২০০৭ হতে ২০১০ সাল পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ পুলিশ কো-অপারেটিভ সোসাইটি; চেয়ারম্যান, গভর্নিং বডি, পুলিশ কলেজ, মিরপুর, ঢাকা এবং বাংলাদেশ পুলিশ এর সাময়িকী ‘দ্য ডিটেকটিভ’এর প্রধান সম্পাদক  হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৭ হতে ২০১০ পর্যন্ত  পুলিশ সংস্কার কর্মসূচীর (Police Reform Programme) জাতীয় প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

 

তিনি  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে ১৬ জুন ২০১১ তে যোগদান করেন। তিনি গত  ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩ তারিখ হতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গত নভেম্বর, ২০১৫ সনে সমন্বিত পর্বত উন্নয়নের আন্তর্জাতিক সংস্থা (International Centre for Integrated Mountain Development- ICIMOD) এর পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিভিন্ন বিষয় ও প্রসঙ্গে তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলি  হচ্ছে  'The Tribal Insurgency in Chittagong Hill Tracts: Background, Evolution and Consequences- An Insider’s View’ (Research),  ভ্রমন কাহিনী ‘দূরদেশে’, গবেষণামূলক প্রকাশনা- ‘বাংলাদেশের ত্রিপুরা জনজাতি’, স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ 'Sardah in Reminiscences', সম্পাদনা- Chittagong Hill Tracts: Long Walk to Peace and Development’, ‘রেগেক্ষ্যাং’, ‘রেইনখিয়ং’,  ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম: বন-পাহাড়ের সাত-সতের’ ইত্যাদি।

 

বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সেমিনার ও কনফারেন্সে, অংশগ্রহণের নিমিত্তে তিনি  অস্ট্রিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানী, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ইটালি, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, ব্রাজিল, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা, হাইতি, ডোমিনিকান রিপাবলিক, কানাডা, বাহামা, ভারত, নেপাল, কম্বোডিয়া, চীন, আইসল্যান্ড, ভূটান, শ্রীলংকা, মায়ানমার, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, সিংগাপুর, জাপান, ভিয়েতনাম, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।

 

তিনি খেলাধূলা, চারুকলা, সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে  উৎসাহী। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও দুই পুত্র সন্তানের জনক।তাঁর স্ত্রী অনামিকা ত্রিপুরা একজন লেখক ও সংগীত শিল্পী।

 


Share with :